একটি সমীক্ষায় জানা গেছে, *ভারতে সবচেয়ে বেশী জল নষ্ট করেছেন শ্রী কেশব চন্দ্র নাগ!* উনি চৌবাচ্চা কোনদিনই ভর্তি হতে দিতেন না, সব জলই বেরিয়ে যেত…!!!

শুধু কি জল নষ্ট? লোকটা কোনদিকেই আর কোনোকিছু আস্ত রাখেনি… *কাউকে একটি মুহুর্ত শান্তিতে থাকতে দেয়নি কোনোদিন…*

চৌবাচ্চা ফুটো করেছে, ল্যাম্পপোস্ট ভেঙেছে, সোজা সাইকেলে করে স্কুল যেতে দেয়নি। সামান্য স্কুল যেতে অর্ধেক রাস্তা নৌকো, ১/৩ ভাগ রিক্সা আর ২কিমি পায়ে হাঁটা করিয়েছে! এরপরেও যে স্কুলে গেছি এই অনেকে !*

বাবাতে ছেলেতে বসে দু’দন্ড শান্তিতে কথা পর্যন্ত বলতে দেয়নি। ৫ বছর বাদে কার বয়েস কার তিনগুন হবে এই নিয়ে ভাবিয়ে মেরেছে।

অনেক শ্রমিককে একসঙ্গে পুরো কাজ শেষ করতে দেয় নি । কিছুদিন কাজ করার পরে কিছু শ্রমিককে কাজ ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ করতে হয়েছে অল্প শ্রমিকদেরকে দিয়ে ।এরপরেও হিসাব চেয়েছে বাকী কাজ কতদিনে শেষ হবে !

দুটো ট্রেনকে উল্টো অভিমুখে দৌড় করিয়ে প্ল্যাটফরমের দৈর্ঘ্য জানতে চেয়েছে

চা খাওয়ার আগে দার্জিলিং আর আসাম মিলিয়ে মিশিয়ে একাকার করে চায়ের বারোটা বাজিয়েছে ।

চলন্ত ট্রেনে ট্রেনে বিপজ্জনক রেষারেষি করিয়েছে, শান্তিতে নৌকো চলতে দেখলেই উল্টোদিকে স্রোত দিয়ে দিয়েছে… এরকম আর কতো বলবো।

আর অবলা পশুপাখিদের ওপর যা করেছে সেসব পড়লে তো ডাকাতের চোখেও জল আসে। বেচারা একটা কাক, সাতে নেই পাঁচে নেই উড়ে যাচ্ছিল তাকে জোর করে একবার এ ট্রেনের ছাদ একবার ও ট্রেনের ছাদ করিয়েছে, অকারণে তেল মাখিয়ে একটা বাঁদরকে সারাদিন বাঁশ বেয়ে ওঠানামা করিয়েছে।

এমনকি গোমাতাকে অব্দি ছাড়েনি! কিপ্টের মতো একটা ছোটো দড়ি দিয়ে বেঁধে ঘাস তো খেতে দেয়ইনি আবার যেটুকু খেয়েছে তারও পাইপয়সার হিসেব নিয়েছে।

এসবের পরে রাগ হবে না ? ঐটুকু একটা অঙ্কের বই, কিন্তু পাতায় পাতায় কি সাঙ্ঘাতিক হলিউডি আতঙ্কের আনাগোনা। বাপরে!*

*সংগৃহীত*

Facebook Comments Box