May 27, 2019
প্রত্যেকের জীবন এক একটি উপন্যাস, প্রথম পাতায় জন্মের শেষ পাতায় মৃত্যু!
অনুসন্ধান
সোশ্যাল মিডিয়া
অনুসন্ধান
সোশ্যাল মিডিয়া

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন

#আন্তর্জাতিক_মাতৃভাষা_দিবস
আজআন্তৰ্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আজ সকাল থেকেই আমার লেখা পাচ্ছিলো। শেষমেশ আমার সাংঘাতিক লেখা পেলো সন্ধ্যার পরে। এখানে বলে রাখি আমাদের যেমন হিসু পায়, ঠিক তেমনই আমার মাঝে মাঝে লেখা পায়। রাত ৯টায় আপিস থেকে ছুটি পাওয়ার সেই চরম মুহূর্তের জন্য সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রতিদিন আমি সময় গুনতে শুরু করি। অলস চোখ একবার আপিসের IST ঘড়ি আর একবার ল্যাপটপের ঘড়ি মেলাতে থাকি। দুটি ঘড়ির মধ্যে বিস্তর ফারাক, ৭ মিনিটের ব্যবধান। এমন সময় পাসের ডেস্ক থেকে এক সহকর্মী একটু জোরেই বলে উঠলো, “আরে, সঞ্জয় তো বেঙ্গল (পশ্চিমবঙ্গ) থেকে, ওনাকেই দাও এই ক্লাইন্টের সাথে কথা বলতে। দুজনেই বাঙালি, ক্লাইন্টের সমস্যা বুঝতে সুবিধা হবে”। এখানে বলে রাখি, আমাদের আপিসে ৬০% কর্মী কর্ণাটকের, ২৫% অন্ধ্রপ্রদেশ, ১০% তামিলনাড়ুর আর বাকি ৫% সারা ভারত থেকে। আপিসে যে যার রাজ্যের মানুষের সাথে নিজেদের মাতৃভাষায় কথা বলে।

সহকর্মীর এই অনুরোধে আমি সাড়া দিলাম না, একটু মেকি হাসি হেসে আবার ব্যস্ত হওয়ার ভান শুরু করলাম। মনে মনে ভাবছি, যে বঙ্গ সন্তানদের রক্তে রাঙিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, আজ সেই বাঙ্গালী বাংলা বলতে লজ্জা পায়। আমি অনেক রাজ্য ঘুরেছি, সকলেই সুযোগ পেলেই নিজের মাতৃভাষায় কথা বলতে শুরু করে। আর এও দেখেছি, কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ নিজের মাতৃভাষায় কথা না বলতে পারলেই যেন বেঁচে যায়। আমি ১০০% নিশ্চিৎ ছিলাম, আপিসের ওই কলকাতার ক্লাইন্ট আমায় বাঙ্গালী জেনেও বাংলায় কথা বলতো না। অবশ্যই আমাকে ছোট করার জন্য ইংরাজি বা হিন্দী ছাড়া আর সে কিছুই জানে না এমন একটা ভাব করতো। 

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন
লিখেছেন
সঞ্জয় হুমানিয়া
Join the discussion