Dodda Alada Mara / বড় বটগাছ গাছ – বেঙ্গালুরু

সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedIn
২৮ জুন, সকালে ঘুম থেকে উঠে জীবনটা কেমন বিস্বাদ লাগছিলো। মনটা একটু উড়তে ইচ্ছা হচ্ছিলো। অনেকদিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি। না যাওয়ার প্রধান ও একমাত্র কারন covid19 এবং লকডাউন। আজ বারে, ‘রোববার’! কোথাও যাওয়া যেতেই পারে। কয়েক মিনিট গুগল ম্যাপে সময় কাটিয়ে তৈরি করে ফেললাম route ম্যাপ। প্রথমে দোডা/ডোড্ডা আলাডা মারা, তারপর মাঞ্চনবেলে বাঁধ। আমাদের যাত্রা শুরু Hongasandra থেকে। Begur Main Rd ধরে Devarachikkanahalli Main Rd তারপর NICE Ring Rd ধরে সোজা Kempamma Temple Mysore Road. তার পর বাম হাতে Mysore Road ধরে কিছুদুর যাওয়ার পর Dodda Alada Mara Rd.

দোডা/ডোড্ডা আলাডা মারা অর্থাৎ বড় বটগাছ। এটি প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো বটগাছ। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোরের গা ঘেঁসে কেথোহল্লি নামক একটি গ্রামে অবস্থিত। এই একক গাছটি ৩ একর যায়গা জুড়ে রয়েছে এবং এটি এই ধরণের গাছের  মধ্যে বৃহত্তম আকারের। ২০০০ সালের আশেপাশে গাছের আসল মূলটি প্রাকৃতিক রোগের কবলে পড়ে এবং নষ্ট হয়ে যায়। যেহেতু গাছটার বয়স অনেক, প্রচুর ঝুরি নেমে এখন এক একটি ঝুরি দেখে মনে হয় অনেকগুলি বিভিন্ন গাছ। দুর্ভাগ্যবশত covid19 এর জন্য উদ্যানটি বন্ধ ছিল। যতটুকু সম্ভব আমার উদ্যানটির এক চক্কর লাগিয়ে দেখে ফেললাম।

বেঙ্গালুরু থেকে মাইসুর রোডে গাছটি ২৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। ম্যাজেস্টিক থেকে বাসে করে কেনেগেরিতে এবং তারপরে কেনেগরি থেকে দোডা/ডোডা আলাডা মারায় যাওয়া যেতে পারে। KR মার্কেট থেকে দোডা/ডোডা আলাডা মারার সরাসরি বাস রয়েছে যা গাছের ঠিক পাশে এসই বাস স্ট্যান্ড। গাছটিতে প্রচুর পরিমাণে বানর বাস করে এবং পর্যটকদের খাবার, জল, ক্যামেরার ব্যাগ এবং অন্য যে কোনও জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমরাও রেহাই পাইনি সেই ঘটনা থেকে। আমাদের একটি চিপসের প্যাকেট রীতিমত দাঁত খিঁচিয়ে ভয় দেখিয়ে হাত থেকে নিয়ে চলে যায়।

বড় বটগাছটি দেখার পর এটি অতিরিক্ত জায়গা হিসাবে দেখা যেতে পারে মাঞ্চনবেলে বাঁধ। এটি মূলত একটি বাঁধ, বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে। আরঞ্চবতী নদীর ওপারে মাঞ্চনবেলে বাঁধ, এটি মাগাদি শহরে জল সরবরাহ করে। ডোড্ডা আলাডা মারা এবং মাঞ্চনবেলে বাঁধ দুটি পর্যটন কেন্দ্র। ইচ্ছা করলে KR মার্কেট থেকে মাঞ্চনবেলে বাঁধ সরাসরি বাসে পৌঁছানো যায়। (Route nos. 227M, 227VA, 227VC, 242VA, 242W). যাই হোক একদিনের ছোট্ট ভ্রমন অভিজ্ঞতা পেতে এই দুটি জায়গা আপনারাও যেতে পারেন।

পূর্ববর্তী পোস্ট
পরবর্তী পোস্ট
সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedIn
আলোচনায় যোগ দিন

সঞ্জয় হুমানিয়া

Avatar

আর্কাইভ