হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড হেরিটেজ সেন্টার অ্যান্ড অ্যারোস্পেস মিউসিয়াম

If you Like it,Share it

হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড হেরিটেজ সেন্টার অ্যান্ড অ্যারোস্পেস মিউসিয়াম বা এইচ.এ.এল হেরিটেজ সেন্টার অ্যান্ড অ্যারোস্পেস মিউসিয়াম, অর্থাৎ HAL Heritage Centre and Aerospace Museum.

২০০১ সালে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড হেরিটেজ সেন্টার অ্যান্ড অ্যারোস্পেস জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো বেঙ্গালুরুতে। ভারতে এটি প্রথম এবং অদ্বিতীয় এই ধরণের মিউসিয়াম বা জাদুঘর। এটি বেঙ্গালুরু সিটি রেলস্টেশন থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে, HAL old বিমানবন্দর রোড এবং বাসভানগর রাস্তার মোড়ে অবস্থিত। এই মহাকাশ জাদুঘরটি ৪(চার) একর সবুজ জমি উপরে বানানো হয়েছে।

এই অ্যারোস্পেস যাদুঘরে দুটি প্রধান ঘর রয়েছে। একটিতে ফটোগ্রাফগুলি প্রদর্শন করা হয়েছে, যা ১৯৪০ থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি দশকের বিমানের অগ্রগতির বিবরণ দেওয়া আছে। অন্য ঘরটি দর্শনার্থীদের কে নিয়ে যাবে ভারতের বিমান চলাচল শিল্পর ইতিহাস ও রোমাঞ্চকর তথ্য ভাণ্ডারে।

এই জাদুঘরের আসল মজা নিতে হলে আপনাকে চার দেওয়ালের ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে। গোটা যাদুঘর চত্বর ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আসল যুদ্ধ বিমান আর হেলিকপটার। এখানে আপনি দেখতে পাবেন MARUT, MIG-21, HT-2, KIRAN, CANBERRA, AJEET, LAKSHYA (Pilotless Target Aircraft) এবং আর বহু যুদ্ধ বিমান। অ্যারোস্পেস প্রেমি, ছাত্র ছাত্রী আর বাচ্ছাদের কাছে এই জাদুঘর তথ্যের খনী। PSLV model এবং PSLV Heat shield ও দেখতে পাবেন এখানে।

১৯৪০ এর দশক থেকে শিল্পকলার ও বিজ্ঞানের আকর্ষণীয় বিকাশের সন্ধান দেওার জন্য আছে অ্যারোস্পেস লাইব্রেরি। জাদুঘরের চারপাশের আছে গোলাপ বাগান, অর্কিড বাগান এবং ভেষজ উদ্যান। আরও আছে বাচ্চাদের খেলার যায়গা যেখানে বাচ্চারা অফুরন্ত সময় মজা করতে পারে। বিকল্প শক্তি উদ্যানে আপনি দেখতে পাবেন সৌর বিদ্যুৎ, বায়ো গ্যাস প্লান্ট এবং হাইব্রিড উইন্ড মিলের মডেল।

বেঙ্গালুরুতে ঘুরতে এলে অবশ্যই এই আলাদা ধরনের জাদুঘর ঘুরে যাবেন। আমার লেখাতে অনেক কিছুই বাদ পড়ে গিয়েছে, সেগুল রইলো আপনাদের নিজের চোখে দেখার জন্য। সঙ্গে কিছু ছবি দিয়ে দিলাম, যাতে আপনি এখেনে আসার আকর্ষণ অনুভব করেন। জাদুঘরটি সারা বছর সকাল ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য খোলা থাকে।

প্রবেশ মুল্য –

প্রবেশ ফি (প্রাপ্ত বয়স্ক) মাথাপিছু ৫০/- টাকা
প্রবেশ ফি (১৮ বছর অবধি শিক্ষার্থী ও শিশু) মাথাপিছু ৩০/- টাকা (with ID card )
প্রবেশ ফি (৩ বছর পর্যন্ত শিশু) বিনামূল্যে
শারীরিক প্রতিবন্ধী বিনামূল্যে
মোবাইল ক্যামেরা মাথাপিছু ২০/- টাকা
স্টিল ক্যামেরা মাথাপিছু ৫০/- টাকা
ভিডিও ক্যামেরা মাথাপিছু ৭৫/- টাকা
বেসিক সিমুলেটর গেম মাথাপিছু ৫০/- টাকা
মোশন সিমুলেটার মাথাপিছু ১০০/- টাকা

বিঃদ্রঃ টিকিট দেওয়া বিকাল ৪ঃ৩০ এ বন্ধ হয়।

Avatar
Written by
Sanjay Humania
Join the discussion

Follow @Social Media

Archives

Please note

This is a widgetized sidebar area and you can place any widget here, as you would with the classic WordPress sidebar.