সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedIn

আমাদের পাড়ার ময়লা নেওয়া গাড়ি মাইক বাজিয়ে আসার সময় আগে ছিল সকাল ৮ টা। এখন নিজের খেয়ালে আসে, কখনো ১০টা, কখনো ১২টা আবার কোনো দিন আসেই না। আগে শুধু শনিবারে প্লাস্টিক জঞ্জাল নিতো, এক শনিবারে গেলাম প্লাস্টিক জঞ্জাল নিয়ে। সেবার বললো প্লাস্টিক নেওয়ার বার বদল হয়েছে, এখন থেকে বুধবার শুধু প্লাস্টিক জঞ্জাল নেবে। আমিও আর সহ্য করতে না পেরে ওর সামনেই রাস্তার পাসে ফেলে চলে এলাম দুটি প্লাস্টিকের বোতল, মশলার প্লাস্টিকের প্যাকেট আর দুধের গুটি কয়েক প্লাস্টিকের প্যাকেট।

তার পর মাঝে মধ্যেই নানা রকম ফর্মাস। সব্জির জন্য আলাদা ডাস্টবিন ব্যাগ করতে হবে, রান্না খাবারের জন্য অন্য ডাস্টবিন ব্যাগ করতে হবে, এটা আলাদা হবে ওটা আলাদা হবে। ওদের ফর্মাস অনুযায়ী আমাকে ৫,৬টা আলাদা আলাদা ডাস্টবিন ব্যাগ রাখতে হবে। আমি গাড়িতে ময়লা দেওয়া বন্ধ করে দিলাম। ব্যাচেলর মানুষ, অল্প রান্না, অল্প জঞ্জাল। ৫,৬টা ডাস্টবিন ব্যাগ করলে হয়তো সব ডাস্টবিনে একটা করার item জমা হবে, তাতে ব্যাগের দাম আর জঞ্জালের মূল্যের মধ্যে আকাশ পাতাল difference হবে।

আমাদের বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে বড় রাস্তায় একটা লাম্প পোস্টে, তার গোড়ায় অনেকেই আশেপাশের বিল্ডিং থেকে ছুড়ে ছুড়ে ওপর থেকে ডাস্টবিন ব্যাগ ফেলে দেয় রাতে। এরা সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার মতো ময়লার গাড়িওয়ালার দাঁত খিঁচুনি খায় না। আমিও এদের দলে এলাম। রাতে আমি নিজে হেটে গিয়ে ওখানে ডাস্টবিন ব্যাগ ফেলে আসি। সকালে ছাদ থেকে দেখেছি ময়লা গাড়িওয়ালা সকালে সেখান থেকে সব তুলে নেয়, টু শব্দ করে না। শুধু হাতে হাতে দিলে ৫,৬টা ডাস্টবিন ব্যাগ করতে নির্দেশ দেয়। আমি চেয়েছিলাম সমাজ সচেতন একজন মানুষ হতে, ওরা আমাকে হতে দিলো না। আমি দুঃখিত।

পূর্ববর্তী পোস্ট
পরবর্তী পোস্ট
সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedIn
আলোচনায় যোগ দিন

Archives

Please note

This is a widgetized sidebar area and you can place any widget here, as you would with the classic WordPress sidebar.