ঘুড়ি কঙ্কাল দেখেছিস?

সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedInGoogle+

তুই ঘুড়ি ওড়াস?
কি মজা না!
যতক্ষন লাটাই হাতে থাকে, ঘুড়ি কি মজা করে ওড়ে আকাশে, ঘুড়ি কিন্তু নিজের মতো উড়তে ভালোবাসে না।
লাটাই না থাকলে ঘুড়ি কিন্তু উড়ে এত মজা পেতো না, লাটাই এর টান অনুভব করে ঘুড়ি সাইসাই করে উপরে উঠে।
আনন্দে আত্মহারা হয়ে একবার এদিক, একবার ওদিক পাক খায়,কত না মজা তার।
আবার যেই সুতোয় ঢিল পড়লে, ওমনি ঘুড়ির মন খারাপ হয়ে যায়। আকাশের বুকে নিজেকে সামলাতে পারে না।
উড়তে থাকে, কিন্তু হওয়ার স্রোতে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়ে।
আবার সুতোয় যখন লাটাই এর টান দেয়, ওনমি উপরে উঠে আসে সাই সাই করে, আবার সে আনন্দে আত্মহারা।
শেষে কি হয় বলতো?
ভোকাট্টা!!

কোথা থেকে নতুন মাঞ্জা দেয়া এক সুতো এসে কেটে দেয়, লাটাই আর ধরে রাখতে পারে না ঘুড়ি কে। ঘুড়িও সামলাতে পারে না ভীষণ ঝড়ে, নিরুপায় হয়ে ঘুড়ি গা এলিয়ে দেয় বাতাসে।
এদিকে লাটাই আবার নতুন ঘুড়ি পায়।
ভোকাট্টা কোথায় হারিয়ে যায়, হয়তো কোন গাছের মগডালে আটকে গিয়ে ছিড়ে যায়। ডানা ভাঙা পাখির মতো ডানা ঝাপটায়, ছেড়া কাগজ ফর ফর করে আওয়াজ করে।
হওয়া এলেই প্রত্যেক দিন চেষ্টা করে ওড়ার, কিন্তু পরে না। ঘুড়ি তো ছিড়ে গিয়েছে।
ডানা ঝাপটে কি হবে?
ঘুড়ি আর উড়তে পারে না নিল আকাশে।
দিন যায়, রাত যায়, শীত যায়, গ্রীষ্মে যায়, বৃস্টি যায়।
রোদে-বৃষ্টিতে ঘুড়ি আর ঘুড়ি থাকে না। রোদে জ্বলে রং ফ্যাকাশে, জলে ভিজে ছিড়ে, পড়ে থাকে ঘুড়ি কঙ্কাল।
ঘুড়ি কঙ্কাল দেখেছিস?
ঘুড়ি কঙ্কাল আর উড়তে পারে না।

Facebook comments
সামাজিক মিডিয়া শেয়ার করুনFacebookTwitterWhatsAppEmailLinkedInGoogle+
আলোচনায় যোগ দিন

আর্কাইভ

Sanjay Humania