বন্ধু, তোকে অনেক খুঁজেছি

কৃষ্ণেন্দু ব্যানার্জী, মোটাসোটা চেহারা, গায়ের রং কালো। হয়তো এই গায়ের রংয়ের জন্যই ওর নাম দেওয়া হয়েছিল কৃষ্ণেন্দু। ও ছিল আমার ইস্কুলের সহপাঠী। ৯০এর দশকের ঘটনা এটা, সব কিছু মনে নেই তবে যতটা মনে আছে, একেবারে মনে দাগ কেটে আছে। সে…

কোথায় হারিয়ে গেলে?

কোথায় হারিয়ে গেলে? এটি একটি রেডিও বা বেতার অনুষ্ঠানের নাম। সবে মাত্র কলকাতায় Frequency Modulation এর সাহায্যে রেডিওতে বা বেতারে প্রথম FM রেডিও শুরু হয়েছিল। খুব অল্প দিনেই আমার মন ছুয়ে গিয়েছিল এই অনুষ্ঠানটি। তখন মোবাইল ফোন, অর্কুট, ফেসবুক ছিল…

বাচ্চারা হলো ফেরেস্তার (angel) মতো

শুনেছি তুরস্কের বেশিরভাগ মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে, কথাটি হল - "মুহতারাম নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন।" এই কোটেশন সাইদ মেরাজ নামের একজনের ওয়াল থেকে নিলাম।…

প্রথম টেলিফোন

আজ আসে কাল আসে করতে করতে হঠাৎ একদিন স্কুল থেকে ফিরে দেখি ঘর আলো করে এক খানা লাল টুকটুকে টেলিফোন। গত এক সপ্তাহ ধরে এই চমকটি পাওয়ার জন্য বাড়ি শুদ্ধ লোক অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম আমার সবাই। রাতে খাওয়ার সময়…

স্মৃতি বড্ড মধুর সম্পদ

কোথা থেকে শুরু করবো বুঝতে পারছি না। মানুষের মন মাছ ধরা জালের মতো। জালে জল ধরা যায় না, তবে বড় বড় মাছ ধরা যায়। জল হলো সময়ের মতো, আর এই সময় জলের স্রোতের মতো, বয়েই চলে। বড় বড় মাছ হলো…

১ দিনের তিরুপতি বালাজি মন্দির দর্শন

তিরুপতি মন্দির তিরুপতি (Tirupati) হায়দ্রাবাদ থেকে ৫২৫ কিলোমিটার আর বেঙ্গালুরু থেকে ২৬৫ কিলোমিটার দূরে তিরুপতির অবস্থান অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণপ্রান্তে। পূর্বঘাট পর্বতমালার সাতপাহাড়ের পাদদেশে তিরুপতি শহর। প্রচলিত লোককথা, এই সাতপাহাড় বিষ্ণুর শয্যা শেষনাগের সাতটি ফণা। মন্দিরশহর তিরুমালার অবস্থান একটি পাহাড়ের চূড়োয়। সোনার…

সিগন্যালের রোদ চশমা

আমি থাকি ব্যাঙ্গালোরের এক প্রান্তে, অন্য প্রান্তে থাকে আমার এক কলেজের সহপাঠী বন্ধু। আমাদের মাঝখানের দূরত্ব মাত্র ২৪ কিলোমিটার, তবে মনে দূরত্ব আরো কম। সহপাঠী বন্ধু নিমন্ত্রণ করলেই আমার গায়ে জ্বর আসে। ২৪টি কিলোমিটার যাওয়া আবার ২৪টি কিলোমিটার ফেরৎ আসা,…

ডাব্বাওয়ালা কথা রাখেনি

ঢেঙ্গা চেহারা, শুকনো মুখ, ঢোকা চোয়াল, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, লম্বা নাক আর চোখ দুটো গর্তের মধ্যে ঢোকা। দেখেকেই বোঝা যায় পরিশ্রমী মানুষ, হ্যা সত্যি পরিশ্রম করতেন দেশপান্ডে জি। আমি শুধু তার পদবীটাই জানতাম, আসল নাম জিজ্ঞেস করার কোনদিন প্রয়োজন হয়নি।…